মহাবিশ্বকে নিয়ে মহা চিন্তায় আছেন বিজ্ঞানীগণ। গবেষণা করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন আরও নতুন কিছু উদ্ভাবন অথবা আবিস্কার করা যায় কিনা সে লক্ষ্যে। ব্যয়ও করা হচ্ছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার এ খাতে। সমালোচকেরা বলে থাকেন বিপুল অংকের এ অর্থ যদি হতভাগ্য পৃথিবী বাসীদের কল্যাণের জন্য ব্যয় করা হত তাহলে কতই না ভাল হত। মহাকাশীয় বস্তু আবিস্কারের ফলে কিইবা এমন লাভ। এতে শুধু মেধা, অর্থ ও সময়ের অপচয় হচ্ছে মাত্র। লাভ-ক্ষতি নিয়ে বিতর্ক না হয় অন্য কোনদিন করা যাবে। তবে, যে মহাবিশ্ব ক্ষুদ্র প্রাণী থেকে শুরু করে দানব রূপ মহাজাগতিক বস্তুকে বক্ষে ধারণ করে আছে তার জন্ম বৃত্তান্ত জানার আগ্রহ থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই এ লেখাতে বরং গবেষকদের গবেষণা লব্ধ ফল ও সৃষ্টি কর্তার বাণী তথা পবিত্র কুরআন থেকে বিশাল এ মহাবিশ্ব তৈরীতে কত সময় লেগেছে তা নিয়ে আলোচনা করা যাক।
ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১০
বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১০
মহাবিশ্বের শুরু
অজানাকে জানার ব্যাপারে মানুষের মনে রয়েছে এক উদগ্র নেশা। তাই সৌরজগতের সীমানা ছাড়িয়ে পাড়ি জমালো মহাকাশের সীমাহীন পথে। জানতে পারল সূর্যের মত কোটি কোটি নক্ষত্রের বাস আমাদের সাথে এ মহাবিশ্বে। আবিস্কৃত হলো গ্যালাক্সি (যার একটিতেই রয়েছে লক্ষ লক্ষ নক্ষত্র), ক্লাষ্টার গ্যালাক্সি, নিউট্রন স্টার, কোয়াসার, কৃষ্ণ গহব্বর ও আরো অনেক মহাকাশীয় বস্তু। মানুষ তার অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম নিয়ে যতই এগুতে থাকল মহাবিশ্বের বিশালত্ব যেন ততই বাড়তে থাকল। এ যেন শেষ হবার নয়। বিশাল এ মহাবিশ্বকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ ছিলনা অতীতে, বর্তমানে নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবেনা এটা অবধারিত। অজানাকে জানার কৌতুহল থেকেই বিজ্ঞান আজ চরম উৎকর্ষতা লাভ করেছে। তারপরও মানুষ আজ অবধি আদি অথচ মৌলিক একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর পায়নি। আর তা হলো আমাদের এ মহাবিশ্ব, যা নানা মূল্যবান পদার্থ দিয়ে ভরপুর তার সৃষ্টি হলো কিভাবে? এটা মহান সৃষ্টিকর্তার নিপুন হাতের সৃষ্টি তা সকল ধর্মে এক বাক্যে স্বীকার করে নিলেও যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানীরা সম্মিলিতভাবে সকলের জন্য গ্রহণীয় একক উত্তর দিতে পারেননি এখনও। কারো কারো মতে অনাদিকাল থেকেই আমাদের মহাবিশ্ব এরকমই। এটাকে কেউ সৃষ্টি করেনি আর ধ্বংসও নেই এর। আবার কেউ বলেন হঠাৎ এক বিষ্ফোরণের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)