চেতনায় ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চেতনায় ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৭

সত্যিই কি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামায়াত-শিবির হতাশ???

No automatic alt text available.


সত্যিইকি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামায়াত-শিবির হতাশ??? আমরা বলি না আমরা অবশ্যই হতাশ না!!!!
ইসলামী ছাত্রশিবির এর এক নেতাকে প্রশ্ন করেছিলাম --কথিত ট্রাইব্যুনালের নামে তোমাদের নেতা গুলোকে ফাঁসী দিয়ে তোমাদের শক্তির ইতি ঘটিয়েছে।
-এবার তোমাদের টাকার উৎস নামের ইসলামী ব্যাংক জবর দখল করে অর্থের উৎস শেষ করেছে।এখন তোমাদের ভাবনা কিংবা গাইড লাইন কি?

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৬

😭মজলুম রোহিঙ্গা মুসলিম😭



ওমর শরীফ।
আমার এই লেখাটি সেই সব নির্লজ্জ মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে যারা অন্ধত্ব,গোড়ামী ও বেহাপনার মধ্যে নিজেদেরকে নিস্তেজ এবং চেতনাহীন করে ফেলেছে। আজকে মায়ানমারে ,মায়াংমারের রাজ পথে আমরা এতোগুলা লাশ দেখেছি; যতগুলা রিক্সাও ঢাকার রাজপথেও থাকেনা। এতোগুলা লাশ আমরা মায়াংমারের নদীতে দেখেছি; যতগুলো বস্তাদিয়ে হয়তোবা বাংলাদেশের নদীতে একটা বাধও দেয়া হয়নাই। এতোগুলা বাচ্চাদেরকে জ্বালিয়ে মারা হয়েছে মায়াংমারে; যতগুলা ডিম বাজি করে কোন এক সকালে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে নাস্তা করা হয় নাই।  আজকে মায়াংমারের রোহিঙ্গা মুসলমান মা-বোন আর বাপ-ভাইদের উপর এমন সীমাহীন নির্যাতন হচ্ছে যা বর্ননার কোন ভাষা আমার জানা নেই। তাদের উপর এই নির্যাতনকে অতীতের সমস্ত বর্বরতা আর জাহিলিয়াতকেও আজ হার মানিয়েছে।  

রবিবার, ২৬ জুন, ২০১৬

আধ্যাত্মীক ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লবে রোযার কাঙ্খিত ভূমিকা ও মুসলমানদের ব্যর্থতা

আধ্যাত্মীক ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লব কীরূপে?

মানব জাতির ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সাফল্যের জন্য আধ্যাত্মীক বিপ্লব যেমন জরুরী,তেমনি অপরিহার্য হলো রাষ্ট্রীয় বিপ্লব। পাখির দুটি ডানা সবল না হলে যেমন উড়তে পারে না তেমনি আধ্যাত্মীক বিপ্লব ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লব –এ দুটি বিপ্লব একত্রে না হলে উচ্চতর সভ্যতাও নির্মিত হয় না। অর্জিত হয় না ইসলামের মূল লক্ষ্য।রাষ্ট্রের বুকে শয়তানের অধিকৃতি মেনে নিয়ে কি ইসলাম পালন হয়? আসে কি আধ্যাত্মীক উন্নয়ন? নবীজী এ দুটি বিপ্লব একত্রে পরিচালিত করে সমগ্র মানব জাতির সামনে অনুকরণীয় সূন্নত রেখে গেছেন। দ্বিমুখি এ বিপ্লবের পথ বেয়ে তিনি যেমন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অসংখ্য মানব গড়ে গেছেন,তেমনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতাও গড়ে গেছেন। যারা রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার কাজ থেকে নিজেদেরকে দূরে রেখে স্রেফ মসজিদ-মাদ্রাসা,পীরের মাজার¸সুফী খানকা বা হুজরায় বসে আধ্যাত্মীক বিপ্লব ও সে সাথে দুই জাহানের কল্যাণ ভাবেন তারা কি নবীজী (সাঃ)র সে সূন্নত থেকে আদৌ শিক্ষা নিয়েছে? তাদের দ্বারা কোথাও কি আল্লাহর শরিয়তি বিধান বিজয়ী হয়েছে? নির্মিত হয়েছে কি ইসলামি রাষ্ট্র ও সভ্যতা? এসেছে কি আধ্যাত্মীক উন্নয়ন? বরং তাতে আধ্যাত্মীকতার নামে মুসলিম জীবনে এনেছে নবীজী (সাঃ)র প্রদর্শিত সিরাতুল মোস্তাকীম থেকে বিশাল বিচ্যুতি ও ভ্রষ্টতা। অপর দিকে আধ্যাত্মীক বিপ্লবকে গুরুত্ব না দিয়ে যারা শুধু ইসলামের নামে রাজনৈতীক দল ও রাজনৈতীক বিপ্লব নিয়ে ভাবেন তাদের দ্বারাই বা ইসলামি রাষ্ট্র নির্মানে কতটুকু সফলতা এসেছে? এবং কতটুকু এসেছে চারিত্রিক বিপ্লব? তারাও কি নবীজী(সাঃ)র সূন্নতকে পুরাপুরি আঁকড়ে ধরতে
পেরেছে?

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০১৬

যে হাদিসটি সবসময় ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের প্রেরণা জোগায় -

রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর সাহাবাদের বলেন- “শেষ বিচারের দিনে এমন কিছু মানুষকে আনা হবে, যাদের বুক ও ডান হাতে জ্বলজ্বল করতে থাকবে নূর, তাদেরকে বলা হবে, আজকে তোমাদের জন্য সুসংবাদ, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক,
তোমাদের কল্যাণ হোক, তোমরা চিরদিনের জন্য প্রবেশ করো জান্নাতে।’ তাদের প্রতি আল্লাহ তায়ালার এই ভালবাসা দেখে নবী-রাসূলগণ পর্যন্ত ঈর্ষান্বিত হবেন।”

বুধবার, ১৫ জুন, ২০১১

ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠার পথে বিরোধিতার সেকাল-একাল

গাজী আল-আমিন
ইসলামের রাজনৈতিক ব্যবস্থার নাম খিলাফত,খিলাফতের শাসনব্যবস্থা বিশ্বের অন্য সকল শাসনব্যবস্থাসমূহের ভিত্তি, চিন্তা, ধারণা, গঠন, কাঠামো, আইন, সংবিধান এক কথায় সকল দিক থেকে পৃথক। ইসলামের খিলাফত ব্যবস্থা আল্লাহপ্রদত্ত একটি স্বতন্ত্র শাসনব্যবস্থা যা কোন ক্রমেই রাজতান্ত্রিক, সাম্রাজ্যবাদী, ফেডারেল, প্রজাতান্ত্রিক কিংবা গণতান্ত্রিক নয়।
খিলাফত প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন,“আবার সেই সময়ের কথা স্মরণ কর যখন তোমার রব ফেরেশতাদেরকে বলেছিলেন, আমি পৃথিবীতে খলিফা নিযুক্ত করতে চাই।” (সূরা আল বাকারা : ৩০) এ আয়াতে খিলাফত দ্বারা বোঝানো হচ্ছে “আল্লাহর দেয়া ক্ষমতার অধিকারী হওয়া।” এ অর্থ অনুযায়ী সকল আদম সন্তান খিলাফতের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
“আমি তাকে বললাম হে দাউদ! আমি তোমাকে পৃথিবীতে খলিফা নিযুক্ত করেছি, কাজেই তুমি জনগণের মধ্যে সত্যসহকারে শাসন কর্তৃত্ব পরিচালনা করো এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না।” (সূরা সাদ : ২৬) এখানে খিলাফত দ্বারা বোঝানো হচ্ছে এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্থা যা আল্লাহর সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব মেনে নিয়ে তাঁর প্রদত্ত শরিয়তের বিধান মোতাবেক তাঁর প্রতিনিধিত্বের যথাযথ হক আদায় করে ।
“আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তোমাদের মধ্যে থেকে যারা ঈমান আনবে ও মা’রুফ কাজ করবে তাদেরকে তিনি পৃথিবীতে ঠিক তেমনিভাবে খিলাফত দান করবেন যেমন তাদের পূর্বে অতিক্রান্ত লোকদেরকে দান করেছিলেন।” (সূরা আন নূর : ৫৫)

বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১১

আল্লাকে দেখেছেন কি? এই ছবিগুলোতেই আল্লাহকে দেখতে পাবেন।



 আল্লাকে দেখার জন্য প্রথমে মন থেকে সবকিছু ঝেড়ে ফেলুন।
 কিছুক্ষনের জন্য মনের ভিতর কাউকে স্থান দিবেন না।
 তাহলে আপনি চলে যেতে পারবেন চিন্তার সীমারেখার অনেক গভীরে।
 ফলে আপনার মন আপনার জন্য কিছু প্রশ্ন তৈরী করবে!
 আবার সেই মন নিজেই আপনাকে তার উত্তর দিবে।
 আপনি একটু ভিন্নভাবে ভিন্ন কিছু উপলব্দি করার সুযোগ পাবেন।

মনে রাখবেন,
সত্য অনিসন্ধিৎসু মন সর্বদা সত্যের সন্ধান পেয়ে থাকেন..................!!!
সত্য অনুসন্ধানীরা সব কিছুতেই স্রষ্টার সন্ধান পান, কারন জ্ঞানীরাই স্রষ্টাকে চেনে!

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১১

পবিত্র কোরআন অবমাননা এবং চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবী মহল

বিভিন্ন জাতির পবিত্র বিষয়গুলোর অবমাননা বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী মহলের অন্যতম নোংরা কৌশল। ধর্মীয় নেতা, পবিত্র গ্রন্থ, পবিত্র স্থান এবং মুসলিম চিন্তাবিদদের হত্যা বা তাদের চরিত্র হননের চেষ্টা ঐতিহাসিক বিচার-বিশ্লেষণের দাবি রাখে। কারণ, যুগে যুগে এসব হামলা বার বার ঘটেছে এবং বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)'র নেতৃত্বে সর্বশেষ খোদায়ি ধর্ম ইসলামের আবির্ভাবের পর থেকেই এ মহান ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
১৯৮৯ সালে মুর্তাদ বৃটিশ লেখক সালমান রুশদীর "স্যাটানিক ভার্সেস" বা "শয়তানের পদাবলী" শীর্ষক উপন্যাস বের হওয়ার ঘটনা কোনো এক ব্যক্তির কাজ ছিল না। এর সাথে জড়িত ছিল ইঙ্গ-মার্কিন ও ইহুদিবাদী মহলসহ ইসলাম বিরোধী নানা মহল। সভ্যতা ও আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে টেরি জোন্স নামের একজন মার্কিন পাদ্রি সম্প্রতি পবিত্র কোরআন অবমাননার আরও একটি নোংরা কাজে জড়িত হয়েছে। যখন বিশ্বের জনগণের মধ্যে চলছে রাজনৈতিক ও সামাজিক জাগরণ তখন এ ধরনের একটি অশুভ ঘটনা জাতিগুলোর বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর হতাশা বা ক্ষোভকেই তুলে ধরছে।

শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১১

দ্বীনি ভাইয়ের অগ্রাধিকার

ঈমানদারগণ পরস্পর পরষ্পরের ভাই। ভ্রাতৃত্বের মহান ভীতে দাড়িয়ে আছে ইসলামের সুমহান ইতিহাস। যে আরবের ইতর মানুষেরা খুনো-খুনো হানাহানি ছাড়া কিছুই বুঝতো না, তরবারীতেই যারা খুঁজত সব প্রশ্নের উত্তর, যারা নারীকে মনে করতে গৃহস্তালী আসবাবপত্রের মতো ব্যবহার্য বিষয়, জীবন্ত কবর দিত যারা কন্যা সন্তানদের, যারা অপরাধের সকল শাখায় তৈরী করেছিল জঘন্য ইতিহাস, সেই অধমেরাই ইসলামের সুশীতল ছায়ায় এসে কোরআনের পরশে হয়েছিলেন ইতিহাস শ্রেষ্ঠ সোনার মানুষ। তাদের নাম মনে এলেই তাই শ্রদ্ধায় বিগলিত হয় হৃদয়, প্রতিটি নাম উচ্চারনের পরই আবেগাপ্লুত কন্ঠে বলি “রাদিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু”। যারা ইসলামপূর্ব যুগে ছিলেন পরস্পরের শত্রু, যারা ভাইয়ের রক্ত পানের নেশায় তাড়িয়ে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে বছরের পর বছর, ইসলামের ছায়ায় আবার তাকেই পেয়ে হয়ে গেলেন সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল, হলেন সবচেয়ে প্রিয় ভাই।

বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১১

ইসলাম আমার বিশ্বাসঃ বিশ্বাসের পক্ষে কথা বলা আমার অধিকার

প্রথম মানব হয়রত আদম (আঃ) কত যুগ আগে পৃথিবীতে মানবজাতির সূচনা করেছিলেন তা আমার জানা নেই, ইতিহাস গবেষকরা হয়তো এ ব্যাপারে ভালো যুক্তি দিতে পারবেন। মানবজাতির শুরু থেকে সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন দর্শন মানুষকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। শুরুতে মানুষের জীবনটা একেবারেই সাদামাটা বা সহজ-সরল হলেও সময়ের তালে তাল মিলিয়ে জীবন ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর হতে থাকে। এক সময় মানুষ সমাজ তৈরী করে, সমাজ পরিচালনার জন্য সামাজিক নিয়ম-কানুন তৈরী করে, সল্প পরিসরে হলেও সামাজিক জীবনে রাজনীতি এসে যায়। মানুষ চলার পথে বিভিন্ন আচার-আচরণে অভ্যস্ত হয়ে
ওঠে, সাদামাটা মানব জীবনকে বর্ণিল করার জন্য সৃষ্টি করে কৃষ্টি, সংস্কৃতি। মানুষ প্রয়োজনে পণ্য বিনিময় শেখে, ক্রয়-বিক্রয় শেখে, আস্তে আস্তে তাদের সামনে অর্থনীতি ফুলে ফলে পল্লবে সুশোভিত হয়ে ধরা দেয়। প্রতিটি পদেেপ মানুষ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হয়ে খোঁজে এর যথোপযুক্ত উত্তর, সহজ-সরল মানুষের জীবনে ধীরে ধীরে বিজ্ঞান স্থান করে নেয়। এভাবে মানব জাতি পূর্ণতার দিকে এগিয়ে চলে, সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে চলে, উন্নতির দিকে অগ্রসর হয়।

মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১১

কে যাবে জান্নাতে?

মাঝে মাঝে মনে প্রশ্ন জাগে, কে যাবে বেহেস্তে? মুসলিমদের ধারণা কেবল মুসলমানরাই বেহেস্তে যাবে, খৃষ্টানদের ধারণা, তারা ছাড়া আর কেউ যাবেন না বেহেস্তে, ইহুদীর বেলায়ও একই কথা। পবিত্র কোরআনে সূরা বাকারা ৬২ নম্বর আয়াতে এ প্রশ্নের মীমাংসায় ইংগিত আছে। তবে  আয়াতটার সঠিক অর্থ পাওয়া যায় না। একেকটি তাফসিরে একেক অর্থ। আয়াতে তিনটি শর্তের বিনিময়ে জান্নাতে স্থান দেয়ার ঘোষণা আছে, এক) আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা, দুই) আখেরাতের প্রতি ইমান আনা তিন) আমলে সলেহ করা, ইহুদী, খৃস্টান, সাবেয়ি কিংবা মুসলমান যেই হোক না কেন এ তিনটি শর্ত পালন করলে জান্নাতে স্থান পাবে। জানিনা আমি ভুল কিছু বলে ফেলছি কি না।

রবিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১১

মৃত্য কি?

মৃত্য কি? মৃত্যু নিয়ে আমি যত ভাবি ততই গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খাই। কখনো মনে হয় মৃত্যু যাবতীয় দুঃখ, কষ্ট, বেদনা থেকে মুক্তি, আবার কখনো মনে হয় মৃত্যু মানেই নরক নামক সীমাহীন যন্ত্রনার হাতছানি।
অত্যাধুনিক বিভিন্ন সংজ্ঞার চাপে মৃত্যুর জান ওষ্ঠাগত। তবু মৃত্যুর এ সব সংজ্ঞা আমাকে কিছুতেই মৃত্যুর প্রকৃত চিত্র দেখাতে পারে না। বরং এসব রংচঙা সংজ্ঞাগুলোকে সর্বোচ্চ মৃত্যুর আলামত হিসেবে মেনে নেয়া যেতে পারে। মৃত্যু সম্পর্কে প্রাচীন সংজ্ঞাই তাই আমার কাছে গ্রহণীয় মনে হয়, “শরীর ও আত্মার বিচ্ছেদ ই মরণ”।

বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০

পৃথিবী মোদের আসল ঠিকানা নয়!

 
কূয়াশার চাদর ঘেরা মিটি মিটি অন্ধকার ভেদ করে মুয়াজ্জিনের আজানের ধ্বনি স্পন্দিত হল কানে।ভয় মিশ্রিত এক অনুভূতির হাওয়া আমাকে শিহরিত করল।নিমেশেই দু'চোঁখ খুলে গেল,যেন মৃত্যুর পর আবার আমি এক নব জীবনে জাগ্রত হলাম।নতুন এক সজীবতায় নিজেকে খুজে পেলাম।আর ভাবনার দুয়ারে কে যেনো নক করে বলে গেল।"হে মানুষ,এই ঘুম যদি না ভাঙ্গতো তোমার?পুনরায় দু'চোঁখ মেলার শক্তি যদি হাঁরিয়ে পেলতে?যদি এই সুন্দর পৃথিবীকে আবারো দেখার সুযোগ না হতো?তবে কিই-বা করার ছিল তোমার?মহান সৃষ্টিকর্তা অনুগ্রহ করেছেন বলেই তুমি আবার দু'চোঁখ মেলবার সুযোগ পেয়েছো।তাই মুয়াজ্জিন যে আহবানে ডাকছে তোমায়,তার ডাকে সাড়া দিয়ে সেই মহা মনিবের নিকট শুকরিয়া আদায় করো।আগামী ভোর তোমার জন্য হতে পারে পরকাল।সে খানে তো ঘুমিয়ে থাকবে এক অনন্ত কালের জন্য।তাই নিশ্বাস পুরোবার আগেই আরো কিছু সঞ্চয় করে নাও।যা পরকালের সেই কঠিন সময়ে তোমার একান্ত কাজে লাগবে।
ঐ দেখ,পূর্ব দিগন্তে নব সজীবতায় ভোরের টুকটুকে লাল সুর্য উদিত হচ্ছে।সে তার স্রষ্টার একান্ত

সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১০

শাহাদাত মুমিন জীবনের কাম্য

মুমিনের নিকট ঈমানের অপরিহার্য দাবী শাহাদাত। সৃষ্টির আদি হতে এ যাবৎ কাল পর্যন- নিয়ন্ত্রণহীন ধারাবাহিকতা, সত্য ও মিথ্যার চিরন-ন সংঘাত, কল্যাণ ও অকল্যাণের রশি টানাটানি, আলো ও আঁধারের বৈপরীত্য সুন্দরের আরোহী কাঠিন্যতার প্রাচীর মাড়িয়ে ফুলের উৎসব অসুন্দরের আস্ফালন ও হীনতার অতল গহ্বরে পতন ঠেকাতে একজন মুমিনের সমগ্র জীবনের প্রকাশ জীবনাচার হবে শাহাদাতের তামান্নায় উজ্জীবিত। তার জীবনের একান- ব্যক্তিগত ও গোপনীয় বিষয়; হৃদয়ের আবেগ অনুভূতির প্রকাশ, সামাজিক তৎপরতায় অংশগ্রহণ, অর্থনৈতিক লেনদেন, রাজনৈতিক প্রতিপত্তি, সাংস্কৃতিক রুচিবোধ ও মননশীলতা, অবসর ও বিনোদন, শয়ন ও জাগরণ সব কিছুই বিল্পবী ঘোষণা দেবে শাহাদাতের চূড়ান্ত- প্রত্যাশা, মুমিনের জীবন চলার প্রতিটি কদম, তাদের প্রতিটি স্পর্শ, চাহনীর প্রতিটি পলক, জিহ্বার প্রতিটি বুলি, লেখনীর প্রতিটি আঁচড়, ব্যয়ের প্রতিটি কপর্দক, সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত, রক্তের প্রতিটি ফোঁটা এবং হৃদয়ের সবগুলো অনুভূতি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করার জন্য থাকে সতত নিবেদিত।

বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১০

ইসলামে রাজনীতি

ইসলামী ও পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিতসহ সমাজের বিভিন্ন পদ ও পেশার লোকের মধ্যে ইসলামে রাজনীতি আছে কি নেই এ নিয়ে বিতর্কের ডামাডোল বহু আগে থেকেই চালু আছে। ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত সকল আলেমই যেমন ইসলামী রাজনীতির পক্ষে বলেন না ঠিক তেমনই ভাবে পাশ্চাত্য বা অন্য শিক্ষায় শিক্ষিত সকলেই ইসলামী রাজনীতির বিপক্ষেও বলেননা। কেউ বলেন এর দ্বারা ইসলামের অবমাননা করা হয় আবার অন্যেরা বলেন রাজনীতি করা ঈমানের দাবি। কোনটি ঠিক আর কোনটি বেঠিক তা কুরআন ও হাদীসের আলোকে বুঝার চেষ্টা করব আমরা।