জামাত শিবির লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জামাত শিবির লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৭

সত্যিই কি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামায়াত-শিবির হতাশ???

No automatic alt text available.


সত্যিইকি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামায়াত-শিবির হতাশ??? আমরা বলি না আমরা অবশ্যই হতাশ না!!!!
ইসলামী ছাত্রশিবির এর এক নেতাকে প্রশ্ন করেছিলাম --কথিত ট্রাইব্যুনালের নামে তোমাদের নেতা গুলোকে ফাঁসী দিয়ে তোমাদের শক্তির ইতি ঘটিয়েছে।
-এবার তোমাদের টাকার উৎস নামের ইসলামী ব্যাংক জবর দখল করে অর্থের উৎস শেষ করেছে।এখন তোমাদের ভাবনা কিংবা গাইড লাইন কি?

বুধবার, ১১ মে, ২০১৬

ঈমানের পরীক্ষায় জামায়াত-শিবির

''আমাকে যখন কেউ প্রশ্ন করে কেন বেছে নিলে এই পথ? কেন ডেকে নিলে বিপদ? জবাবে তখন বলি; মৃদু হেঁসে যাই চলি; বুকে মোর আছে হিম্মত''। সত্যিই তো, হিম্মত ছাড়া কি আর এই পথে চলা যায়? যায়না! এই পথে চলতে যে চাই অনেক অ-নে-ক হিম্মত। কারন, এই পথের প্রতিটি মড়ে মড়েই যে আবু জেহেলরা পাথর নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৩

মানবতার প্যাকেজে জামায়াত, শিবিরের নামটি কখনো আসেনা!!!

সভ্যতার রাজপথে নিহত ব্যক্তিটি এখন লাশ হয়ে পড়ে আছে, অযত্নে আর অবহেলায় পৃথিবীর সমস্ত মায়া থেকে নিজেকে সে বিদায় দিয়েছে একটু আগেই। রক্তে রক্তে ভিজে গিয়ে সাদা জামাটি এখন লাল হয়ে আছে; দূর থেকে তাকালে মনে হয় এ বুঝি  লাল টুকটুকে রক্ত গোলাপ কিন্তু, এমনভাবে পড়ে আছে যেন পৃথিবীতে তার বেঁচে থাকার কোন অধিকারি ছিলনা!  বাগানের সুগন্ধিমাখা গোলাপটি এখন আরো বেশী লাল হয়ে পড়ে আছে ধুলোমাখা রাজপথে। রাষ্ট্রের জীবিতদের থেকে সে আর কোনদিন পানাহার চাইবে না,অর্থও চাইবে না। কিন্তু জীবিতদের কাছে তার একমাত্র চাওয়াটি হলো,খুনির শাস্তি। বিচারের সে দায়ভার রেখে যায় জীবিতদের কাঁধে। সভ্য সমাজে গুরুতর অপরাধীরও বিনা বিচারে হত্যা করার অধিকার কারো নেই,এমন কি দেশের রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধানেরও নাই। এটি এক নিরেট সন্ত্রাস।

মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১১

জামায়াত,শিবির কি ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে বন্দী ?



আমার জন্ম স্বাধীনতার অনেক পরে। স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদানের কোন সুযোগ আমার হয়নি, দেখার সুযোগও হয়নি, তাই এ যুদ্ধ নিয়ে বড় বড় মন্তব্য করার ধৃষ্টতাও আমার নেই। আসলে সময়ই সব কিছুর প্রকৃত সাক্ষী। কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কে রাজাকার, কে সত্যের সৈনিক, কে অসুরের দোসর তা সঠিক ভাবে নিরুপনের সময় আমার মনে হয় আমরা পার করে এসেছি। এখন আমরা এ নিয়ে যতই গবেষণা করিনা কেন সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আমাদের ইতিহাস হচ্ছে আমরা অতীত নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে আমাদের পান্ডিত্য জাহির করতে ভালোবাসি। কিন্তু আমার মনে হয় আমরা যারা তরুন তাদের বর্তমান নিয়ে বেশি ভাবা উচিত। বর্তমানে কারা দেশের উন্নয়নে অন্তরায়, কারা অশান্তি সৃষ্টিকারী তাদেরকে চিহ্নিত করা। অতীতের রাজাকারদের আমরা স্পষ্ট করে, সঠিকভাবে নাও চিনতে পারি কিন্তু বর্তমানে যে বা যারা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করবে তাদেরকে তো আমরা ইচ্ছে করলেই চিনতে পারবো।

মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

বাংলাদেশ জামায়াত শিবির এক বিস্ময়ের নাম!


অনেকেই ভেবেছে অপপ্রচারে জামাত-শিবিরকে ভড়কে দেয়া যায় কিংবা যাবে, অথচ ইসলামী আন্দোলনের জন্য এটি নতুন কোন বিষয় নয়। যাদের কথা বাতিলের গায়ে অসহ্য জ্বালা ধরাতে পারে,যারা মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকেন সুমিষ্ট আহ্বানে,ডাকেন আলোর পথে,সত্যের পথে,সৎ কাজের পথে এবং নিজেদের আল্লাহর দাস বলে স্বীকার করেন বিনয়াবনত চিত্তে ? ইতিহাসের বিচারে,বর্তমান সভ্য সমাজের বিচারে কিছুতেই এমন অপরাধীকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দেয়া হয় না,লাল দালানের মোটা লাল চালের ভাতই তাদের প্রাপ্য। ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় লেখা আছে হাঁজারো এমন অপরাধীর কথা, যাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পৌত্তলিকতার শেকল ছিঁড়ে দলে দলে ছুটে এসেছে মুক্তিকামী মানুষ, তাদের অধিকাংশকেই বরণ করতে হয়েছে নিষ্ঠুরতম চরম শাস্তি।

মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১০

ওরা জামাত শিবিরকে মুখের ফুঁৎকারে উড়িয়ে দেয়ার দুঃস্বপ্ন দেখে

মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েছে ঊনচল্লিশ বছর আগে। গঙ্গার জল গড়িয়েছে অনেক, মিশেছে সাগর মোহনায়, দীর্ঘ পথচলায় সাথী হয়েছে রাশি রাশি পলিমাটি, জেগে উঠেছে উর্বরা স্বর্ণদ্বীপ। পিছন পানে ফিরে তাকানোর সময় কোথা? এখন সময় শুধু চাষাবাদের, এখন সময় শুধু সোনানী ফলফসলের। যে অতীতকে শুদ্ধ করা যেত কয়েক পুরুষ আগে, সে ব্যর্থতার দায় সেই প্রজন্মের। তাদের ব্যর্থতায় বেড়ে ওঠা নতুন উর্বরা ফসলী জমি চাষাবাদের বদলে রক্তে রঞ্জিত করার মাঝে সফলতা কোথায়? এভাবে ইতিহাসের ঋণ শোধা যায় না, এভাবে ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না।
যে বটের চারা উপড়ে ফেলা যেত আটত্রিশ বছর আগে, সে আজ ফুলে ফলে পল্লবে সুশোভিত মহীরুহ। তার ডালে ডালে গান গায় রঙ-বেরঙের পাখি, ছায়াতলে বাশিঁবাজায় রাখালের দল, ক্লান্ত পথিক দুদন্ড জিরোয় সুশীতল ছায়াতলে। আজ যে বৃক্ষ সিডর, আইলার আঘাত সয়ে সয়ে শেকড় গেড়েছে দু’কোটি মানুষের হৃদয়ে, তাকে তবু মুখের ফুঁৎকারে উড়িয়ে দেয়ার দুঃস্বপ্ন তাড়া করে ফেরে।
দু’কোটি জামাত-শিবির। আত্মীয়তার বন্ধনে ওরা আজ আওয়ামী লীগ, বিএনপির ভাই, বন্ধু, সন্তান-
সন্ততি। দু’কোটি শেকড় বিস্তৃত হয়েছে ষোলকোটি বাংলাদেশীর রক্তে-মাংসে। চাইলেই আর শুকনো মরিচের মতো পিষে ফেলা যায় না, জামাত-শিবির পিষতে গিয়ে নিজের শরীর রক্তাক্ত করার মতো বাতুলতা সভ্যমানুষের শোভা পায় না।

রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০

আল্লাহর কসম! জামাত শিবির সফল হয়েছে।

মানুষেরা কি মনে করেছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এ কথা বললেই তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে এবং কোন পরীক্ষা করা হবে না? অথচ আমি তাদের পূর্ববর্তীদেরকে পরীক্ষা করেছি। ঈমানের দাবীতে কারা সত্যবাদী আর কারা মিথ্যেবাদী আল্লাহ অবশ্যই তা জেনে নেবেন। (আনকাবুত-২,৩)
কোন বিপদ কখনো আসে না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া, যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে তিনি তার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সম্যক অবগত। (তাগাবুন-১১)

ভালো ছাত্র কি কখনো পরীক্ষা পিছানোর দাবী তোলো? মোটেই না বরং ভালো ছাত্ররা প্রতিক্ষায় থাকে অমন মাহেন্দ্রক্ষণের, নিজের যোগ্যতাকে মেলে ধরার, নিজের মেধাকে শ্রেষ্ঠ বলে প্রমাণের অমন সুযোগের হাতছাড়া করে না কিছুতেই। পরীক্ষা দেখে ভয়ে কাঁপে নপুংশকের দল, নকলবাজের দল, কুলাঙ্গার ছাত্রের দল। জামাত-শিবিরের সামনে আজ এসেছে সেই দিন, এখনই সময় ঈমানের পরীক্ষায় সফল হওয়ার, এখনই সময় ইসলামী আন্দোলনের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের।

মায়ের কাছে কে সবচেয়ে আপন? কার দুঃখে হৃদয় কাঁচের মতো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে ঝরে যায়? কার মুখের দিকে চেয়ে চেয়ে পৃথিবীর সব দুঃখ কষ্ট, মৃত্যু যন্ত্রণা ভুলে থাকা যায়? অথচ সেই সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে কি পাশবিক কষ্ট সইতে হয় দিনের পর দিন মাসের পর মাস মাকে। দশ মাস দশদিন শেষে যে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফটিয়ে সন্তানকে বুকে টেনে নেন মা, প্রসব বেদনার ভয়ে মা হওয়ার স্বপ্ন কি বিসর্জন দেয় কোন মা? পৃথিবীর কোন মা কি চান বঞ্চিত হতে মাতৃত্বের স্বাদ থেকে? বরং সন্তান প্রসবে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসার গান গেয়ে যান তারা। সে মায়ের কসম, ঈমানের দৃপ্ত শপথে এগিয়ে চলো পরীক্ষার দিকে, সাফল্য তোমাদেরই।

যে ইসলামী আন্দোলনকে ভালোবেসে ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ে শহীদ হলেন আবদুল মালেক, যে পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাব্বির, হামিদ, আউয়ুব, জব্বার, শহীদ হয়েছেন শরীফুজ্জামান নোমানী, হাফিজুল ইসলাম শাহীনের মতো সূর্যসেনার* দল, সে পথে চলতে তবে কিসের ভয়? জেল-জুলুম হুলিয়া হৃদয় কাঁপিয়ে দিতে পারে চোর-ছ্যাচোর আর সন্ত্রাসী জানোয়ারদের, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীকে দমাতে পারে এমন নির্যাতনের কৌশল রেখে যেতে পারে নি হিটলার, চেঙ্গিস, ফেরাওন নমরুদের মতো পিশাচের দল। চেয়ে দেখ শহীদ হাফিজুল ইসলাম শাহীনের গর্বিত বাবার দিকে, ঈমানে ঈমানে ফুলে উঠেছে তার বুক। তাহলে কিসের ভয় আল্লাহর সৈনিকের, কিসের ভয় তবে জান্নাতের উত্তরাধিকারীদের। তোমাদের অপরাধ তো এ ছাড়া আর কিছু নয় যে, “তোমরা বল, আল্লাহ আমার প্রভূ, রাসূল (সাঃ) আমাদের নেতা, কুরআন আমাদের সংবিধান”।

“একটা দুইটা জামাত,শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর”

শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত বাংলাদেশ। তবু মন গলে না প্রধানমন্ত্রীর। ভরসা পান না কিছুতেই। ছাগুলীগকে হারে হারে চিনেন তিনি, অকম্মার ধারি একেকটা। ফেনসিডিল খেয়ে টাল হয়ে কাকে জবাই করতে গিয়ে কাকে জবাই করে বসে ভরসা পান না কিছুতেই। মাতালগুলো হাসিনাকে যে খালেদা ভেবে গলায় ছুরি চালিয়ে দেবে না তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়? বাকশালী রাজনীতি পাকাপোক্ত করতে যে লাশের প্রয়োজন ছিল, হারামীগুলো তার বদলে নিজেদের আবু বকরকেই খুন করে ফেসে গেছে। কিছুতেই আর ওদের উপর ভরসা করে নিশ্চিন্ত হতে পারেন না প্রধানমন্ত্রী।