যুদ্ধাপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যুদ্ধাপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০১৪
বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
সোমবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৩
নিজামুল হক এর সরে যাওয়া আল্লাহর বিচার।-দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
মাননীয় আদালত,
২০১১ সালের অক্টোবরের ৩ তারিখ এই আদালতের তদানিন্তন চেয়ারম্যান নিজামুল হক আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পড়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন আমি দোষী না নির্দোষ? আপনি তখন এই আদালতের ৩ সদস্য বিশিষ্ট বিচারকদের একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ন্যায় বিচারে ভ্রষ্ট পথ অনুসরন করেছিলেন বিধায় একরাশ গ্লানি নিয়ে স্বেচ্ছায় সরে পড়তে হয়েছে। আজ সেই চেয়ারে আপনি সম্মানিত চেয়ারম্যান। এটাই আল্লাহর বিচার।
বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১২
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন: একটি জাতির জন্মকালের বিচার
বাংলাদেশ
ের
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিদায়ী চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ
নিজামুল হকের সঙ্গে ব্রাসেলস প্রবাসী আইনজীবী আহমেদ জিয়াউদ্দিনের কথোপকথন ও
ই-মেইল আদানপ্রদানের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক
অর্থনীতি-বিষয়ক প্রখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট। পত্রিকাটির সর্বশেষ ছাপা
সংস্করণে প্রতিবেদটি প্রকাশের পাশাপাশি অনলাইনেও তা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি সঙ্গে সঙ্গে সম্পাদকের পক্ষ
থেকে একটা ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে ইকনমিস্ট হ্যাক করা ই মেইল বার্তা ও টেলিফোন আলাপের (স্কাইপে মাধ্যমে করা) ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করছে।
ইকনমিস্টের প্রতিবেদনটি পাঠকদের জন্য প্রায় হুবহু প্রকাশ করা হলো।
প্রতিবেদনটি সঙ্গে সঙ্গে সম্পাদকের পক্ষ
থেকে একটা ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে ইকনমিস্ট হ্যাক করা ই মেইল বার্তা ও টেলিফোন আলাপের (স্কাইপে মাধ্যমে করা) ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করছে।
ইকনমিস্টের প্রতিবেদনটি পাঠকদের জন্য প্রায় হুবহু প্রকাশ করা হলো।
বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ : ‘শাহিনুর সাহেব ঠাস কইরা আমার পায়ে পইড়া গেল’ : ‘এই হলো আওয়ামী টাইপ চরিত্র’
বুধবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১২
বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ : ‘মালুম ভাই হায়দার আলীরে স্ট্রংলি সন্দেহ করতেছে’
অলিউল্লাহ নোমান: মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম ও বেলজিয়ামে অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিক ড. আহমদ জিয়াউদ্দিনের মধ্যে স্কাইপি কথোপকথনে ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন বিষয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ দু’জনের মধ্যে স্কাইপি আলোচনায় ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলীর সততা নিয়ে সন্দেহের বিষয়টি উঠে আসে। একটি ল্যাপটপ খোয়া যাওয়ার ঘটনায়ও হায়দার আলীর প্রতি প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুমের স্ট্রং সন্দেহের বিষয় বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম জানান ড. আহমদ জিয়াউদ্দিনকে। কথোপকথনের একপর্যায়ে ড. আহমদ জিয়াউদ্দিন বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমকে বলেন, ‘আরও কিছু খবর আছে, যেটা আপনার জেনে রাখা দরকার। ভালো কথা যে, নাইলে আবার ভুইল্লা যাইতে পারি। হায়দার আলী সাহেবকে নিয়ে তারা খুবই সন্দেহের ভেতর আছে। হায়দার আলী গতকাল উনারে জানাইছে, রাত্রে বেলাতে উনি স্কাইপে আসার আগে যে, ইয়ে হইছে... অ্যা... উনার বাসাতে জানালা থেকে উনার ল্যাপটপটা নিয়ে চলে গেছে।’
মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১২
সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১২
বিচারপতি নাসিমের ফাস হওয়া স্কাইপি সংলাপ
Skype Songlap.Ahmed Ziauddin and Nizamul Hoque.about Home Minister 15 Sep-2012
বিচারপতি নাসিমের ফাস হওয়া স্কাইপি সংলাপের সবগুলো পার্ট একত্রে
বিচারপতি নাসিমের ফাস হওয়া স্কাইপি সংলাপের সবগুলো পার্ট একত্রে
বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ : ‘ড. কামাল ক্রিমিনাল বোঝে না, আমীর উল গ্যানজাম করে ওয়ালিউর চোর’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের নানা দিক নিয়ে বেলজিয়ামে অবস্থানরত ড. আহমদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের স্কাইপি কথোপকথনে উঠে এসেছে প্রসিকিউশনের সঙ্গে কীভাবে শলাপরামর্শের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়াটি চলছে। চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর স্কাইপি কথোপকথনে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম সম্পর্কে বলেন, ‘মালুম খালি লাফায় লাফায় ওঠে। না, মানে যখন ওঠে যৌক্তিক কারণ নিয়া তো ওঠে না।’ অপরদিক থেকে ড. আহমদ জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘কী সেইটা বলেন?’ জবাবে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম জানান, ‘না কোনো কারণ নাই। আমি ধমক দিয়ে বসায় দিছি। পরে আবার রুমে ডাকছি। পরে কইছে এইডাই ঠিক আছে। আমি দাঁড়াইয়া যামু, আপনি আমারে বসাইয়া দেবেন। লোকে দেখুক আমাদের মধ্যে কোনো খাতির নাই।’ এছাড়া অন্যান্য প্রসিকিউটরদের যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে দুইজনের কথোপকথনে। কথোপকথনের একপর্যায়ে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম বলেন, কাকে আর এখানে আনা যেত। ড. কামাল হোসেন ক্রিমিনাল বোঝে না। আমির উল ইসলাম গ্যানজাম করবে। এছাড়া বেসরকারি সংস্থা বিলিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী ঘরানার সাবেক আমলা ওয়ালিউর রহমানকে চোর বলে আখ্যায়িত করা হয়। সুলতানা কামালের সাক্ষ্য এবং তার সঙ্গে আলোচনার বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় সেদিনের স্কাইপি কথোপকথনে।
রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১২
বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১২
কারাগারে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে জাতির উদ্দেশে অধ্যাপক গোলাম আযম
সব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা || নিরপেক্ষ বিচার হলে একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে না

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ, ভাষা আন্দোলনের নেতা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপকার অধ্যাপক গোলাম আযম গত বুধবার আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করছি যে এসব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা। নিরপেক্ষ বিচার হলে এগুলোর একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে না। আমি জেল, জুলুম, নির্যাতন, এমনকি মৃত্যুকেও ভয় পাই না। তিনি বলেন, হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই বিচারের নামে এ প্রহসন চলছে। এ মামলার বাদী বর্তমান সরকার। আসামীদের অপরাধের তদন্ত করার জন্য যে সংস্থা, তা এ সরকারই তাদের নিজেদের লোকদের সমন্বয়ে গঠন করেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যে সেক্যুলার সরকার কায়েম হয়েছে, তারা আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের চরম বিরোধী। তাই তারা বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতিকে বেআইনী ঘোষণা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ জঘন্য উদ্দেশ্যেই ১৯৭৩ সালের মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুর দোহাই দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে তাদের মনগড়া ট্রাইব্যুনালে এক জংলী আইনে বিচার করে শাস্তি দেয়ার চক্রান্ত করছে।
স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ, ভাষা আন্দোলনের নেতা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপকার অধ্যাপক গোলাম আযম গত বুধবার আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করছি যে এসব অভিযোগ ডাহা মিথ্যা। নিরপেক্ষ বিচার হলে এগুলোর একটিরও প্রমাণ পাওয়া যাবে না। আমি জেল, জুলুম, নির্যাতন, এমনকি মৃত্যুকেও ভয় পাই না। তিনি বলেন, হীন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই বিচারের নামে এ প্রহসন চলছে। এ মামলার বাদী বর্তমান সরকার। আসামীদের অপরাধের তদন্ত করার জন্য যে সংস্থা, তা এ সরকারই তাদের নিজেদের লোকদের সমন্বয়ে গঠন করেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে যে সেক্যুলার সরকার কায়েম হয়েছে, তারা আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের চরম বিরোধী। তাই তারা বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতিকে বেআইনী ঘোষণা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ জঘন্য উদ্দেশ্যেই ১৯৭৩ সালের মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুর দোহাই দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে তাদের মনগড়া ট্রাইব্যুনালে এক জংলী আইনে বিচার করে শাস্তি দেয়ার চক্রান্ত করছে।
বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১১
গোলাম আযমের এক্সক্লসিভ সাক্ষাতকার দেখুন
এটিএন নিউজ এ ও বাংলা ভিশনে প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপী অধ্যাপক গোলাম আযমের একটি এক্সক্লসিভ সাক্ষাতকার প্রচারিত হয়।
সেটি দেখুন এখানে,
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১
জালীমের জুলুম সইতে আমিও আছি প্রস্তুত
আমার প্রিয় একটি গানের কথা দিয়েই শুরু করলাম এভাবে! ''আমাকে যখন কেউ প্রশ্ন করে কেন বেছে নিলে এই পথ? কেন ডেকে নিলে বিপদ? জবাবে তখন বলি; মৃদু হেঁসে যাই চলি; বুকে মোর আছে হিম্মত''। সত্যিই তো, হিম্মত ছাড়া কি আর এই পথে চলা যায় যায়না। এই পথে চলতে যে চাই অনেক অ-নে-ক হিম্মত। কারন, এই পথের প্রতিটি মড়ে মড়েই যে আবু জেহেলরা পাথর নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওরা নানা ভাবে নানা রকম 'প্রশ্ন' করবে। নানাবিধ অপপ্রচার চালাবে তাইবলে সেই প্রশ্নের জবাব দেয়া রাসূল প্রেমিকদের কাজ নয়; তাতে যে গন্তব্য পৌছতে অনেক বিলম্ব ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যে মুসলিম জাতি দোর্দান্ত প্রতাপের সাথে রাজনীতির ঘোড়া দাবড়িয়ে বেরিয়েছে চতুর্দিকে, যাদের নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হয়রত মুহাম্মাদ (সাঃ) রাজনীতিকে রাঙিয়েছেন আদর্শিক রঙে, নিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন সত্যের সমরে। ইসলামের সূর্য যখন পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়তে শুরু করে; তখন তাঁরই অনুসারীরা “ইসলামে 'রাজনীতি' হারাম” বলে ফতোয়া দিয়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মসজিদের কোনে খিল এটে ইসলামকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। কুরআনকে ঝাড়ফুঁক বা তাবিজ হিসেবে ভুত তাড়ানোর জন্য কিংবা রোগব্যাধি সাড়াতে ব্যবহার করে। সেই কুরআনকে গেলাফের কারাগার থেকে মুক্ত করে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে চলার সুযোগ দিতে হলে। ইসলামকে শুধুমাত্র মসজিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে; সমাজের রন্ধে রন্ধে যে অসুখ দানা বেঁধেছে 'ইসলামকে' সমাজে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে সেই অসুখের মূলোচ্ছেদ করার সংগ্রামে; যারা নিজেদের আত্মাকে বিলিয়ে দিয়েছে; তাদের প্রতিটি পদে পদেই তো থাকবে বিপদ। বিপদ তাদেরকে হায়েনার মত হানা দিবে এটাইতো স্বাবাভিক। পায়ের তালুতে কাঁটার জর্জরিত আঘাত দেখেও যারা হেঁসে হেঁসে এই পথ মাড়ি দিয়ে চলে; তারাইতো প্রকৃত হিম্মতের অধীকারী
শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১১
মিথ্যে দিয়ে সত্যের গতিরোধ করা যায়না
মিথ্যার ও একটি শক্তি আছে যাকে ইংরেজীতে বলে-The
Power Of Lies (মিথ্যার শক্তি) একটা মিথ্যাকে যখন বার বার বলা হয় তখন সেই মিথ্যাটা একসময় সমাজে সত্য বলে পরিচিতি লাভ করে। এমনকি যে প্রথম এই
মিথ্যাটা শুরু করেছিল সেও এক
সময় বার বার শুনতে শুনতে এবং বার বার বলতে গিয়ে সেই মিথ্যাটাকে সত্য ভাবতে শুরু করে। ইংরেজীতে আরও একটি কথা আছে, When money
speaks, the truth is silent.
'অর্থ যখন কথা বলে সত্যে তখন চুপ থাকে'। অর্থ দিয়ে সাময়িকের জন্য হয়তো মিথ্যার পাহাড় রচনা করা যায় কিন্তু সত্যের বিষ্পোরনে সেই পাহাড় একসময় ভেঙ্গে চুরে চুরমার হয়ে যায়। একে চিরস্থায়ী রুপ দেবার ক্ষমতা পৃথিবীর কারো নেই।
'অর্থ যখন কথা বলে সত্যে তখন চুপ থাকে'। অর্থ দিয়ে সাময়িকের জন্য হয়তো মিথ্যার পাহাড় রচনা করা যায় কিন্তু সত্যের বিষ্পোরনে সেই পাহাড় একসময় ভেঙ্গে চুরে চুরমার হয়ে যায়। একে চিরস্থায়ী রুপ দেবার ক্ষমতা পৃথিবীর কারো নেই।
শুক্রবার, ২০ মে, ২০১১
১৯৭১সালে জামায়াতের কোন নেতা যুদ্ধাপরাধী ছিলনা
War crime documentary (Bangla)
মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১০
যুদ্ধাপরাধ ও ন্যায়বিচার
বিচার ব্যবস্থা নিয়ে কোন কথা বলার সুযোগ নেই, আদালত অবমাননা হয় তাতে। তবুও মুখ বুজে সব কিছু মেনে নিলে নিজেকে গাধা মনে হয়, চোখবুজে সত্যকে যে আড়াল করা দায়। বিশ্বে মানবাধিকার লংঘন নতুন কিছু নয়। অথচ ন্যায় অন্যায়ের ভেদাভেদ না করে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা কোন সভ্য সমাজেই স্বীকৃত নয়। বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের দূর্ণীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় এখানে মানবাধিকারের লংঘনের হারও বেশী। বিশেষ করে সরকারের অনৈতিক হস্তক্ষেপে ন্যায়বিচার প্রতিনিয়ত ব্যহত হয় এদেশে। নিম্নআদালত থেকে সরকার বিরোধী কেউ সহজে জামিন পেয়েছে এমন ঘটনা ভাবা যায় না এখানে।
মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস
এক সাগর রক্তের বিনিময়ের অর্জিত স্বাধীনতা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সমরে আমাদের প্রত্যাশা ছিল শোষণ মুক্ত, দারিদ্রমুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ। যুদ্ধ শেষ হয়েছে প্রায় চল্লিশটি বছর আগে, অথচ স্বাধীনতা নামের সুখপাখিটা আজো আমাদের কাছে অধরাই থেকে গেছে। যে পাকিস্তানী শোষকদের অত্যাচার, নিপীড়ন, বঞ্চনা আর গোলামী থেকে মুক্তি পেতে লড়েছি আমরা, সে দেশের সাধারণ মানুষ আজো গোলামীর জিঞ্জিরে বন্দী। দারিদ্রের ভয়াবহতা বেড়েছে, নির্যাতনের তীব্রতা বেড়েছে, মানবতা বিরোধী অপরাধের মাত্রা বেড়েছে। বেড়েছে বর্ণবাদ, বিভাজন আর হিংসার রাজনীতি। রাজা যায় রাজা আসে, সাধারণ মানুষের তাতে কিই বা যায় আসে। পাকিস্তানী নরপিশাচেরা বিতাড়িত হয়েছে, শাসনের ছড়ি আজ ভাইয়ের হাতে। অথচ সে ভাই ভাতৃত্বের ধার ধারে না, ভাইয়ে ভাইয়ে বিভাজনের মাধ্যমে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই ব্যস্ত। শত্রুর হাতের চাবুকের আঘাত সওয়া যায়, ভাইয়ের হাতে ফুলের আঘাত যে সয় না। অথচ ভাইয়েরা ফুল নয়, চাবুক নয় বরং ময়না কাটায় ক্ষতবিক্ষত করেছে আপন ভাইয়ের শরীর।
অধ্যাপক গোলাম আযমের সাক্ষাৎকার
যুদ্ধাপরাধ বিচারে সাংবাদিকের কাছে অধ্যাপক গোলাম আযমের সাক্ষাৎকার
ইন্ডিপেনডেন্ট টিভিতে দেয়া ১২ ডিসেম্বর ২০১১ অধ্যাপক গোলাম আযমের পুরো ইন্টারভিউ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)