রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ক্ষমতা তুমি কার ?

Image may contain: cat and textক্ষমতা তুমি কার ?
আজ তোমার, কাল আমার।
ক্ষমতার দাম্ভিকতা চরণ দিয়ে যে জমীনের উপর পদচারনা করেছিলে এতোদিন । আজ সকল দাম্ভিকতাকে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়ে সেই জমীনের নিছে মিশে গেছো তুমি। পৃথিবীর আলো হাঁরিয়ে এখন তুমি অন্ধকারের কালো ছায়া। যেখানে আঁধার আর কেবলী আঁধার। সারা জীবন অন্যের গুনগান, গোলামী ও চামচামী করতে করতে ভুলেই গেছো যে, একদিন তোমাকেও সবাই ভুলে যাবে।

দুনিয়াতে এই ভেবে তুমি খুশি হতে যে, লোকেরা তোমাকে ভয় পাক। না, এটা ঠিক নয় ! এই অধিকার তো কেবল আল্লাহর'; যে বান্দা তাকে ভয় পাবে আর তাতে আল্লাহ খুশি হয়ে যাবে। মানুষ যদি মানুষকে ভয় পায় তবে অনেক রাগ হয় তার। আর আল্লাহর সেই রাগকেই তোমার আমার ভয় করা উচিৎ। 💗ওমর শরীফ

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

🌅মহান বিজয় দিবস🌅

Image may contain: text
🐦একটি অসহায় পাখির ডানা বেঁধে তাকে আকাশে উড়তে বলছো কিংবা তাকে খাঁচায় বন্দী রেখে আকাশে উড়ার গল্প শুনাচ্ছো? এভাবে একটি পাখির সক্ষমতা যাচাই করা যায়না। তাকে খাঁচায় বন্দী না রেখে উড়তে দাও; সে আপন ডানা মেলে ঐ নীল আকাশে উড়তে চায়। তোমাদের রম্য গল্প শোনার জন্য সে খাঁচায় বন্দী হতে চায়না। আমার মুখে তালা মেরে বলছো; বিজয়ের স্লোগান দিতে? আমি পারবোনা! আমার হাতে পায়ে পরাধীনতার শিকড় বেঁধে আমাকে স্বাধীনতার গল্প শুনাতে এসেছো? আমি শুনবো না!

মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

উত্তাল মহাসমূদ্রে ডিঙ্গি নৌকা ভাসানো যায়না!


বিচারের নামে বাংলাদেশে যে কত কুৎসিত অভিনয় হতে পারে এবং সরকার যে কতটা প্রতিহিংসা পরায়ণ হতে পারে সেটিই এখন বিশ্ববাসী দেখছে। যে কোন আবিস্কারে মেধা লাগে। যে কোন খেলায় কৃতিত্ব দেখাতে প্রতিভা লাগে। কিন্তু কুৎসিত অভিনয়ে সে প্রতিভা লাগে না। বাংলাদেশের সরকার আজ সে কুৎসিত পথেই পা বাড়িয়েছে।এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রচণ্ড উত্তপ্ত হাওয়া বইছে। যুদ্ধ যুদ্ধ ভাবই শুধু নয়,বরং যুদ্ধ শুরুও হয়ে গেছে। সরকার বিরোধীদের নির্মূলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ একা নয়,বরং ময়দানে নেমেছে এক ধরনের তরুন একাত্ররের চেতনার নামে যাদের জেগে উঠেছে মহা তারন্য। আমিও একজন তরুণ হিসেবে তাদের এই তারন্যর অংশীদার হতে পারতাম কিন্তু কেন জানি বিবেকটা বারবার বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ! ইসলামে শুধু দেহ-হত্যাই পাপ নয়,জঘন্য পাপ হলো বিবেক-হত্যা ও ঈমান হত্যা। জাতি কখনো হাসপাতাল,কলকারখানা বা ক্ষেতে খামারে মারা যায় না। মারা যায় চেতনার ময়দানে। জাতির বেঁচে থাকার চুড়ান্ত যুদ্ধটি হয় মূলত চেতনার এ রণাঙ্গনে। উদ্ভিদ বা পশুকুল থেকে মানুষের বাঁচাটি এজন্যই ভিন্নতর।

সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১২

অপেক্ষা এখন প্রভাতের সূর্যের


অন্ধকারের বুক বিদীর্ন করে একটু আকটু আলোক ছটা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। আলোকে অপছন্দ করা পেঁচাটি উঁচু গাছের মগডালে পাতার আড়ালে ডাকতে যাচ্ছে তার মুখ। কারন , প্রভাত অতি নিকটে ঘনিয়ে এসেছে। পূব আকাশটা লাল রক্তিম রুপ ধারন করে আছে। ইতিমধ্যে ,সূর্য এই ধরায় আগমনের বার্তা জানিয়ে দিয়েছে। পৃথিবীকে আলোকিত করার বাসনা নিয়ে এই এখনি, এখনি সূর্য মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। নিমেষেই অদৃশ্য হবে সমস্ত অন্ধকার, আলোয় আলোয় আলোকিত হয়ে যাবে পুরো পৃথিবী। কে আছে তাকে ঠেকাবে ? পেঁচাদের কি আর সেই ক্ষমতা আছে। নেই! সে তো জানে শুধু সূর্যকে অবিশম্পাত আর গালাগালি করতে। আর জানে কিভাবে অন্ধকারে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে হয়। অন্ধকারে তার ভয়ঙ্কর রুপ আর বর বড় চোঁখ দিয়ে চোরের মত স্বীকারের উদ্দেশ্য; প্রতীক্ষায় থাকে অন্ধকার নিশাচর রাতের । রাতভর অপকর্ম করে আর দিন হলে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। যদি তার কুৎসিত চেহারাটা প্রকাশ হয়ে যায় ; সেই ভয়ে, মুখ লুকায় নির্জন গর্ত কিংবা গাছের ডালে পাতার আড়ালে।

শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১১

বন্ধু,(আওয়ামীলীগ)অন্তত পশুর চেয়েও অধম হয়ো না



খুব ছোট বেলায় চোঁখের সামনে একটি কুকুরকে মরতে দেখে খুব খারাপ লেগেছিল। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে কুকুরটিকে নিয়ে গিয়ে মাটি চাপা দিয়ে ছিলাম। ওর অকাল মৃত্যু কতটুকু যে আচরন কেটেছিল হৃদয়ে তা শুধুমাত্র শিশুমনই উপলব্দি করতে পারে।
একটা প্রানীর জন্য আমাদের মায়ার শেষ নেই। খেতে বসলে পোষা বিড়ালটিও খেয়েছে কিনা তারও খবর নিতে ভুলিনা। না, খুব যে একটা উপকারের কথা ভেবে আমরা কুকুর-বেড়ালকে আদর করি তা নয় বরং কাছে থাকতে থাকতে, আদর করতে করতে ভালো বাসতে শুরু করি ওদের। একটা কুকুরকে মরতে দেখলেও আমাদের চোখ আর্দ্র হয়ে ওঠে, বুক ভেঙ্গে বেরিয়ে আসে দীর্ঘনিঃশ্বাস, আহা! অবলা প্রাণী, না জানি কত কষ্ট পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১০

রাষ্ট্রের ধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদঃ প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

ধর্ম শব্দটির সাথে পরিচয় নেই এমন লোকের সংখ্যা পৃথিবীতে খুবই কম। কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেটার উপর নির্ভর করে শব্দটি
বিভিন্ন ধরণের অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মানব জাতির জন্য হলে এটির অর্থ হয় শাস্ত্রনির্দিষ্ট বিধি-বিধান। অন্যভাবে বলা যায় সঠিক পথে চলার নিমিত্তে মহান সৃষ্টি কর্তার পক্ষ থেকে প্রেরিত সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা যা ধর্মগ্রন্থে কালির আঁচড়ে আমাদের মাঝে জীবন্ত হয়ে আছে। বস্তুর জন্যে ধর্মের অর্থ হয় বস্তুটির নিজস্ব গুণাগুণ। রাষ্ট্রের জন্য ধর্ম কি হবে সেটাই হলো ভাবনার বিষয়।

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ শব্দের সাথেও আমরা বেশ পরিচিত। অধুনাকালে ধর্মনিরেপেক্ষ অর্থ ধর্মহীনতা নয় বলে প্রচার চালানো হচ্ছে বেশ জোরে, যদিও এ শব্দটির একটা আবিধানিক অর্থ আছে। ধর্মনিরেপেক্ষ মানে হচ্ছে ধর্ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এমন। মূলতঃ রাষ্ট্র পরিচালনার ও শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এ শব্দটি অধিক ব্যবহার হয়ে থাকে। এ মতের অনুসারীরা বলে থাকেন ধর্ম হচ্ছে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আচরণের বিষয়। কাজেই রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশেষ কোন ধর্মের পক্ষপাতিত্ব থাকতে পারেনা।

রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০

লোডসেডিংয়ে বিভ্রান্ত এক মোরগের কান্ড!

প্রচন্ড গরমের রাতে; লোডসেডিংএ,ফ্যান,যখন ঘুরেও না ঘুরার মত শুধু হেলছে আর দুলছে।আর আমি, খাটের এপাস ওপাস গড়াতে গড়াতে ঘুমাবার বৃথা পন্ডশ্রম করে যাচ্ছি; যদি স্বর্গজগতে;নিজের স্বপ্নের দারটা খুলতে পারি।এভাবে ঘুমাবার চেষ্টা করতে করতে অবশেষে যখন চোখে ঘুম আসতে লাগলো!আর তখনি ঘটল; সেই অঘটন!
গৃহপালিত মোরগ জোরে জোরে ডেকে ডেকে সুবেহসাদেকের ঘোষনা দিয়া বসলো।হাঁজার বোল্ডের শর্ট খাওয়া আতংকে চোঁখ মেলে বসে পড়লাম।ভাবলাম,ঘুমাতে না ঘুমাতেই আবার সুবহেসাদেক হইলো কেমনে!হাত বাড়াইয়া ঘড়ির কাটা দেখলাম।একি রাত সবেমাত্র সাড়ে বারোটা।তাহলে ফাজিল মোরগ এই অসময়ে কিসের ডাক দিল?মেজাজ এমন হইল যে,ফাজিল মোরগটার গলা টিপা ধরি।
পরে অবশ্য বিষয়টা বুঝতে পারলাম। লোডসেডিংয়ে বিভ্রান্ত হয়েই সে এই অঘটনটা ঘটিয়েছে।মানুষ হলে হয়তো বলতো;আমার তো কোন দোষ নাই;যত দোষ ঐ বিদ্যুতের।
হায়রে,চারদিকে আজ এ কেমন পরিবর্তনের হাওয়া!আগে,সুবেহসাদেকের ঘোষনা দিত গৃহপালিত মোরগের দল।অথচ এখন বিদ্যুতের আলোয়ে বিভ্রান্ত মোরগ আজ অসময়েও ডেকে ওঠে,ভোর হওয়ার সুসংবাদ দেয়।
কি অবাক ব্যাপার!