জামায়াত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জামায়াত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৪

‘অধ্যাপক গোলাম আযম’(একটি জীবন একটি ইতিহাস)

বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ। এমন একটি ব-দ্বীপ যার শরীরে বয়ে চলে শত,শত  নদী। নদী পাড় ভাঙে,ভাঙে গ্রামের পর গ্রাম;যেন ভাঙা-গড়াই এর নিত্য খেলা। ঋতুর খেলাও ঠিক তেমনই আসতে না আসতেই পরিবর্তন হয়। স্থিরতা নেই আবহাওয়ারও। এর সাথে পাল্লা দিয়ে আসে ঝড়-টর্নেডো,ছিন্ন-ভিন্ন করে দেয় আবাসস্থল। এ দেশে এভাবেই চলে প্রকৃতির তা-বলীলা। এর সাথে সংগ্রাম করেই মানুষ বেঁচে থাকে। 

বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১০

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

 
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চিন্তা ও গবেষনার ক্ষেত্রে এক ব্যাপক বিপ্লব ইসলামীর জ্ঞান চর্চার এক নিখুত পরিকল্পনা
উন্নত চরিত্র গঠনের এক মজবুত সংগঠন
জনসেবা ও সমাজ সংস্কারের এক ব্স্তাব কর্মসুচি
জনকল্যানমুখী আদর্শ রাষ্ট্র ও সরকার গঠনের নিয়মতান্তিক আন্দোলন

শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১০

তার চেয়ে বড় অপরাধী আর কে হতে পারে যার হাতে কালেমা পড়েছেন সহস্র নওমুসলিম!

তার চেয়ে বড় অপরাধী আর কে হতে পারে যার হাতে কালেমা পড়ে মুসলমান হয়েছেন সহস্রাধিক অমুসলিম? তার কথার চেয়ে আর কার কথা বাতিলের গায়ে অসহ্য জ্বালা ধরাতে পারে, যিনি মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকেন সুমিষ্ট আহ্বানে, ডাকেন আলোর পথে, সত্যের পথে, সৎ কাজের পথে এবং নিজেকে আল্লাহর দাস বলে স্বীকার করেন বিনয়াবনত চিত্তে? ইতিহাসের বিচারে, বর্তমান সভ্য সমাজের বিচারে কিছুতেই এমন অপরাধীকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দেয়া হয় না, লাল দালানের মোটা লাল চালের ভাতই তাদের প্রাপ্য। ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় লেখা আছে হাজারো এমন অপরাধীর কথা, যাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পৌত্তলিকতার শেকল ছিঁড়ে দলে দলে ছুটে এসেছে মুক্তিকামী মানুষ, তাদের অধিকাংশকেই বরণ করতে হয়েছে নিষ্ঠুরতম চরম শাস্তি।

রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০

এভাবেই সাফল্যের বন্দরে পৌঁছাবে জামায়াত!

“আর নিশ্চয়ই আমরা ভীতি, অনাহার, প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে এবং উপার্জন ও আমদানী হ্রাস করে তোমাদের পরীক্ষা করবো ৷ এ অবস্থায় যারা সবর করে এবং যখনই কোন বিপদ আসে বলেঃ “আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর দিকে আমাদের ফিরে যেতে হবে” তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দাও ৷ তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদের ওপর বিপুল অনুগ্রহ বর্ষিত হবে, তাঁর রহমত তাদেরকে ছায়াদান করবে এবং এই ধরণের লোকরাই হয় সত্যানুসারী”। সূরা বাকারা ১৫৫-১৫৭।

আল্লাহ যখন কাউকে ভালো বাসেন, কিংবা কারো দ্বারা কোন মহৎ কাজ করিয়ে নিতে চান, তবে তাদেরকে পরীক্ষায় ফেলে ঈমানকে মজবুত করে নেন। আগুনে পুড়িয়ে খাঁটি সোনা বের করার মতো পরিশুদ্ধির পরীক্ষা। আর যারা সকল বিষয়ে সর্বোচ্চ ও নিরংকুশ ক্ষমতার অধিকারী বলে আল্লাহকে মানে এবং আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল (সাঃ) দেখানো পথে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দিনকে কায়েম করতে চায় তাদের আন্দোলনের জন্য কঠিন পরীক্ষা অতি স্বাভাবিক ও নিয়মিত বিষয়। বলা যেতে পারে যে আন্দোলন আল্লাহর পক্ষে কথা বলতে গিয়ে যত বেশী অত্যাচারিত নির্যাতিত হয় সে দলই আল্লাহর ততটাই নৈকট্য অর্জনকারী দল। আর কোন ইসলামী দলের কার্যক্রমে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম বিরোধী শক্তি যদি আবেগে বুকে টেনে নেয়, ইসলামী আন্দোলন পরিচালনার জন্য অর্থ, জনবল তথা লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে সহায়তা করে তবে সে দলটি নামে ইসলামী হলেও প্রকৃতপক্ষে সাক্ষাৎ ইবলিশ শয়তানের দল।