প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১১

পিঁপড়ের ডাইনিং টেবিলে রক্তাক্ত স্বাধীনতা



অপুষ্ট ডানার পাখিটা এক চোখ বাঁকা করে মাথাটা একটু কাত করে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ঐ নীল আকাশ পানে; আর ভাবছে! আমার বুঝি আর কখনো ঐ আকাশে উড়া হবেনা। ছোঁয়া হবেনা নীল আকাশ। বাতাসের হালে পাল তুলে দিয়ে আপন স্বাধীনতায় উড়ে বেড়ানোর সে-কি আনন্দ তা বুঝি আমার ভাগ্যে আর হবেনা। এভাবে একটু পর পর মাথাটা ঘুরিয়ে আবার চারপাশে তাকাচ্ছে পাখিটা। যদি কেউ এসে আবারো রক্তাক্ত করে তার স্বাধীন ডানা দু'টো। এক ধরনের ভয় তার মনে খেলা করছে। বুঝতে পারছি তার মনটা ভালো নেই হয়তো পাখি হলে আরো বেশী বুঝতে পারতাম তার মনের অবস্থা। কিছুক্ষন পর অন্য একটি পাখি তার সামনে দিয়ে উড়ে গেল। তার দেখা দেখী সেও উড়তে চেষ্টা করলো কিন্তু পারলো না বরং পড়ে গিয়ে অনেক বেশী আঘাত পেল। এভাবে আর কতো বৃথা চেষ্টা করবে সে! এক সময় অন্যদের ঠোঁকর খেতে খেতে অপুষ্ট ডানার পাখিটা আরো আহত হবে রক্তাক্ত হবে; একসময় বুঝে যাবে ঐ আকাশে উড়ার চাইতে নিজেকে রক্ষার কাজেই সে ব্যস্ত থাকবে। যে ডানার উপর স্বাধীনতা ভর করে তার নীল আকাশে উড়ে বেড়ানোর কথা ছিল তার সে ডানায় রক্তাক্ত স্বাধীনতা নিয়ে তাকে আজ পিপড়ের ডাইনিং টেবিলে যেতে হবে। কারন অপুষ্ট ডানা নিয়ে নীলাকাশ ছোঁয়া যায় না।

রবিবার, ২৯ মে, ২০১১

কোরআনের আলো অনির্বাণ

২০১০ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি এলাকায় কিছু হিংস্র ও নিষ্ঠুর লোক কট্টরপন্থী এক খ্রিস্টান পাদ্রীর প্ররোচনামূলক পরিকল্পনার জের ধরে সর্বশেষ ঐশীগ্রন্থ অর্থাৎ আল কুরআনুল কারিমে অগ্নিসংযোগ করে দেড়শ' কোটি মুসলমানের অন্তরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তারা হয়তো জানে না, কোরআনের আলো কোনোদিন নিভে যাবে না। সূরা তাওবার ৩২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেনঃ ‘তারা চায় মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে কিন্তু আল্লাহ নিজের নূরকে পরিপূর্ণ করা ছাড়া আর কিছুই চান না, তাতে কাফেররা যতোই অসন্তুষ্ট হোক না কেন।' যাই হোক কোরআনের এই মাহাত্ম্য নিয়ে আজ আমরা খানিকটা কথা বলার চেষ্টা করবো।

শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

দুঃখ-কষ্ট মোকাবেলার উপায়

দুঃখ ও কষ্টবিহীন মানব জীবন কল্পনা মাত্র। অন্য কথায় দুঃখ-কষ্ট মানব জীবনের অন্যতম ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। পৃথিবীতে বড় ধরনের কোনো সাফল্য লাভের জন্য কষ্ট-সহিষ্ণুতা ও পরিশ্রম অপরিহার্য। বিনা পরিশ্রমে যেমন পাহাড়ের চূড়ায় উপনীত হতে পারেন না পর্বতারোহী তেমনি কষ্ট করা বা পরিশ্রম ছাড়া জীবনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যগুলো অর্জন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয় । অনেক মানুষ ব্যাপক দুঃখ-কষ্ট বা প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন বুদ্ধিদীপ্ত সংগ্রামের মাধ্যমে। আবার অনেকে সামান্য দুঃখ-কষ্টেই ভেঙ্গে পড়েন।
সংকট মোকাবেলার অন্যতম এবং মোক্ষম পন্থা হল, সংকটের প্রকৃতি ও নানা দিক সম্পর্কে খুব ভালভাবে জ্ঞান অর্জন করা। যেমন,দুজন প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার জন্য পরস্পরের ইতিবাচক ও নেতিবাচক বা দূর্বল দিকগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন।